জামালপুরে শিক্ষা কর্মকর্তা কর্তৃক গৃহকর্মীকে ধর্ষণের অভিযোগ



রাশেদুল ইসলাম (জেলা প্রতিনিধি)  জামালপুর :  জামালপুর জেলার সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মাজেদুল ইসলামের বিরুদ্ধে গৃহকর্মীকে জোর পূর্বক ধর্ষণ এর অভিযোগ পাওয়া গেছে ।  অভিযুক্ত শিক্ষা কর্মকর্তা স-পদে বহাল রয়েছে জামালপুর সদরে । অভিযুক্ত মাজেদুল ইসলাম সদর উপজেলার রঘুনাথ পুর গ্রামের আব্দুল মোতালেব মাষ্টারের ছেলে ।  

স্থানীয়দের অভিযোগ বিগত ২০১৮ইং সালের সেপ্টম্বর মাসের ৮ তারিখে শিক্ষা কর্মকর্তা মাজেদুল ইসলামের স্ত্রী বাড়ীতে না থাকায় গৃহকর্মীকে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। ঘটনাটি কাউকে না জানানোর জন্য  হুকমি দেন মাজেদুল ইসলাম । এর পর থেকে বিভিন্ন সময় বিয়ের প্রোলবন দিয়ে দিনের পর দিন মাদক সেবন করিয়ে বার বার ধর্ষণ করে ওই গৃহকর্মীকে । এ তে কিশোরী(গৃহকর্মী) অন্তঃসত্তা হয়ে পরে । এ বছর ২০১৯ইং সালের মার্চ মাসে তাকে নিজ খরচে এক যুবকের সাথে বিয়ে দিয়ে দেন মাজেদুল ইসলাম ।কিন্তু বিয়ের দুই মাস পর ধর্ষনের শিকার কিশোরী সন্তান প্রসব করে । তখন এলাকায় বিষয়টি গুনজনের সৃষ্টি হয় । কিশোরীকে জিজ্ঞাস করলে বিয়ের আগে শিক্ষা কর্মকর্তা মাজেদুল ইসলামের ধর্ষনের শিকারের কথা সিকার করে ।পরে ঘটনাটি প্রকাশ পায় । কিশোরীর কথা শুনে গ্রামবাসি ধর্ষক শিক্ষা কর্মকর্তা মাজেদুল ইসলামের বাড়ী ঘের্ওা করে ন্যায় বিচার ও শিক্ষা কর্মকর্তার শাস্তির দাবি করে ।  

শিক্ষা কর্মকর্তা প্রভাবশালি হওয়াতে কোন বিচার না পেয়ে ১ মে কিশোরী বাদী হয়ে অভিযুক্ত শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করে । ৯ জুন ২০১৯ইং তারিখে মামলার জামিন নিতে গেলে জামিন না মঞ্জুর করে শিক্ষা কর্মকর্তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করে । ধর্ষনের শিকার কিশোরীর পরিবার অভিযোগ করে বলেন ধর্ষক শিক্ষা কর্মকর্তা আদালত থেকে জামিনে বেরিয়ে এসে মিথ্যা বিয়েরনাটক সাজাচ্ছে । এলাকার প্রভাবশালীদের মাধ্যমে ধর্ষনের ঘটনা ধামা-চাপা দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে ।
এ ব্যাপারে জামালপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম জানান, শিক্ষা কর্মকর্তা মাজেদুল ইসলামের ব্যাপারে আনিত অভিযোগ ১৭জুন উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে । নির্দেশনা পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে ।

No comments

Powered by Blogger.