নোয়াখালী থেকে পাসপোর্ট করিয়ে তুরস্কে যাওয়ার চেষ্টায় ছিলেন ৩ রোহিঙ্গা



চট্টগ্রামের আকবরশাহ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার তিন রোহিঙ্গা যুবক পুলিশকে বলেছেন, তারা দালাল ধরে নোয়াখালী থেকে পাসপোর্ট করিয়েছেন; তুরস্কে যাওয়ার আশায় তারা ঢাকা যাচ্ছিলেন ভিসার আবেদন করতে।

বৃহস্পতিবার রাতে চট্টগ্রামের সিডিএ ১ নম্বর রোডের মাথায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে আকবরশাহ থানা পুলিশ।


গ্রেপ্তার তিনজনের মধ্যে মোহাম্মদ ইউসুফ (২৩) ও তার ছোট ভাই মোহাম্মদ মুসার (২০) বাড়ি মিয়ানমারের মংডুর দুমবাইয়ে। আর মোহাম্মদ আজিজ ওরফে আইয়াজ (২১) বাড়ি মংডুর চালিপাড়ায়।

আকবরশাহ থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী জানান, ২০১৭ সালে আরাকানে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর অভিযান শুরুর পর তারা পালিয়ে বাংলাদেশে আসেন। কক্সবাজারের উখিয়ায় খাইয়াংখালী হাকিমপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে থাকছিলেন তারা।


প্রতারণার মামলা দায়ের করে শুক্রবার আদালতে হাজির করার পর তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৫ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেছে পুলিশ।

ওসি বলেন, রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই তিন তরুণকে আটক করার পর থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। কিন্তু পাসপোর্টের ঠিকানা নিয়ে তারা অসংলগ্ন কথাবার্তা বলতে থাকে।

“এক পর্যায়ে তারা স্বীকার করে যে তারা রোহিঙ্গা। বাংলাদেশি পাসপোর্ট নিয়ে তুরস্কে যাওয়ার জন্য ভিসার আবেদন করতে তারা ঢাকায় যাচ্ছিল।”


ওই তিন রোহিঙ্গা তরুণ পুলিশকে বলেছেন, ‘ইউরোপিয়ান রোহিঙ্গা কাউন্সিল’ নামের একটি সংগঠনের সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ হওয়ার পর তারা ইউরোপে যাওয়ার পরিকল্পনা করে। ওই সংগঠন থেকে তাদের বলা হয়, ঢাকায় তুরস্ক দূতাবাসে কাগজপত্র জমা দিলে তারা ভিসা পাবে, পরে সেখান থেকে ইউরোপে যেতে পারবে।

এরপর টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নুরুল আলম ওরফে এরশাদ নামে এক ‘দালালের’ সঙ্গে যোগাযোগ করেন ওই তিন তরুণ। এরশাদ তাদের পরিচয় করিয়ে দেন চকোরিয়ার পারভেজ নামের আরেক ‘দালালের’ সঙ্গে।

ওসি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “গত নভেম্বর মাসে ওই তিনজনকে ফেনীতে নিয়ে যায় পারভেজ। সেখানে তাদের একটি হোটেলে রাখা হয় দুই। পরে তাদের নিযে যাওয়া হয় নোয়াখালী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে। বিডিটুয়েনটিফোর

No comments

Powered by Blogger.