মেহেদী দিতে গিয়ে কিশোরী গণধর্ষণের শিকার রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি


ভোলায় ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীর (১২) আর ঈদ করা হলো না। ঈদের আগের রাতে মেহেদি দিয়ে হাত রাঙাতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হয়ে রক্তে রঞ্জিত হলো তার শরীর। জীবন-মৃত্যুর মাঝে ছটফট করছে অসহায় ওই কিশোরী। ধর্ষিতাকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ায় বর্তমানে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলেও অভিযুক্তদের এখনও গ্রেফতার করতে পারেনি।


রোববার রাত আটটার দিকে উপজেলার চর সামাইয়া ইউনিয়নের তিন নম্বর ওয়ার্ডের চর সিফলী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, ধর্ষণের শিকার কিশোরী ও তার বোন রোববার রাত আটটার দিকে দুঃসম্পর্কের আত্মীয় মাহফুজের স্ত্রীর কাছে মেহেদি নিয়ে হাত রাঙাতে যায়। ওই সময় আগে থেকে অপেক্ষমান মাহফুজের ঘরের ভাড়াটিয়া ভোলা আদালতের মুহুরি আল আমিন কিশোরীকে ডেকে তার ঘরে নিয়ে যায়। এ সময় আলামিনের স্ত্রী ঘরে ছিল না। এই সুযোগে আল আমিন ও তার সহযোগী মঞ্জুরুল আলম কিশোরীর হাত-পা ও মুখে কাপড় বেঁধে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। পরে কিশোরীর চিৎকার শুনে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ধর্ষিতার পরিবারের সদস্যরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।


ভোলা সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. মমিনুল ইসলাম ধর্ষণের আলামত পেয়েছেন বলে স্বীকার করে জানান, ধর্ষিতার বয়স কম হওয়ায় তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। ধর্ষিতার গোপন অঙ্গ থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছে। ডাক্তার না থাকায় সেলাই দেয়ার মতো অবস্থাও ভোলায় নেই। ধর্ষিতাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সোমবার (আজ) বরিশালে প্রেরণ করা হবে।’


ভোলা পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। ধর্ষক আল আমিন ও মঞ্জুর আলমকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।আরটি/জেলএন।।

No comments

Powered by Blogger.