চাঁদপুরের লঞ্চঘাটে ঢাকায় উদ্যেশে অদিক ঝুঁকি নিয়ে ফিরছে মানুষ



এমরান হোসেন লিটনঃ ঈদুল আযহার ছুটি শেষে চাঁদপুর থেকে কর্মস্থলে যাওয়ার জন্য একরকম যুদ্ধ করতে হচ্ছে কর্মমুখী মানুষদের। ট্রেন, বাস ও লঞ্চে একই অবস্থা দেখা গেছে।

রবিবার সকালে চাঁদপুর লঞ্চঘাটে গিয়ে দেখা যায়, লঞ্চগুলোতে দ্বিগুন তিনগুন বেশী যাত্রী নিয়ে ঢাকায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে চাঁদপুর ঘাট ত্যাগ করছে।


অতিরিক্ত যাএীর কারণে কার আগে কে লঞ্চে উঠবে একেবারে লঞ্চে ওঠার প্রতিযোগিতা চলছে লঞ্চ ঘাটে। প্রতিটি লঞ্চে যাত্রী উঠানোর জন্য লঞ্চ ঘাটে আশা মাত্রই অপেক্ষমান যাত্রীরা হুড়োহুড়ি করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে লঞ্চে উঠছে। প্রতিটি লঞ্চে ধারণক্ষমতার চেয়ে অধিক যাত্রী নিয়ে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ এর উদ্দেশ্যে রওনা হচ্ছে।


এ বিষয়ে লঞ্চ ঘাটের দায়িত্বে থাকা পরিবহন পরিদর্শক রেজাউল করিম সুমন ও পরিবহন পরিদর্শক মাহতাব উদ্দিন জানান, ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে লঞ্চ গুলো চাঁদপুর ঘাট থেকে ছেড়ে যাচ্ছে। কারণ যাত্রীর চাপ একটু বেশি লঞ্চের সংখ্যা সীমিত রয়েছে তাই অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে লঞ্চ গুলি চাঁদপুর ঘাট বন্দর ত্যাগ করছে। তবে ছাদে কোন যাত্রী দেইনি এবং দূর্ঘটনা ঘটবে এমন পর্যায়ে আমরা কোন যাত্রী নিতে দেইনি। এছাড়া কয়েকজন যাত্রীর সাথে কথা হলে তারা জানান আমরা ও ঝুকি জেনেই যাচ্ছি, কিন্তুু অফিসের ছুটি শেষ তাই একটু ঝুুুকি নিয়েই যাচ্ছেন বলে তারা জানান।
                                             
লঞ্চ মালিক প্রতিনিধি মোহাম্মদ বিপ্লব সরকার জানান, যাত্রীদের না উঠার জন্য নিষেধ করলেও তারা জোরপূর্বক লঞ্চে উঠছে। এই কারণে নির্দিষ্ট যাত্রীর চাইতে অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে লঞ্চগুলো চাঁদপুর থেকে ছেড়ে যাচ্ছে। যাত্রীর চাপ থাকায় যাত্রী ২টি ম্পেশাল লঞ্চ দেওয়া হয়েছে।

চাঁদপুর বন্দর ও পরিবহন কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক জানান, স্বাভাবিকের চাইতে বেশী যাত্রী যাচ্ছে। ওভারলোডিংও হচ্ছে। সেটি সহনিয় পর্যায়ে রয়েছে। সিডিউল মোতাবেক লঞ্চ না আসায় সীমিত লঞ্চ হওয়ায় আমরা অতিরিক্ত যাত্রী বহনের সুযোগ দিচ্ছি। বর্তমান সময়ে ঈদুল ফিতরের পর অতিরিক্ত যাত্রী বহন অপরাধ হলেও লঞ্চ সীমিত হওয়ায় জরিমানা করা হচ্ছে না।

No comments

Powered by Blogger.